স্রষ্টার অসীমতা ও দৃশ্যমান জগতের সীমানা
স্রষ্টার অসীমতা ও দৃশ্যমান জগতের সীমানা
আমরা যা কিছু সরাসরি চোখে দেখি বা ল্যাবরেটরিতে যন্ত্র দিয়ে মেপে ফেলি, তা মূলত 'সসীম' বা সীমাবদ্ধ। আর যা সীমাবদ্ধ, তা কখনো এই মহাবিশ্বের পরম স্রষ্টা হতে পারে না। স্রষ্টা যদি সৃষ্টির ফ্রেমে বন্দি হতেন, তবে তিনি আর স্রষ্টা থাকতেন না।
১. কেন আমরা তাঁকে সরাসরি দেখি না?
মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা এক অসীম সত্তা। আমাদের এই নশ্বর চোখ এবং আধুনিক সসীম যন্ত্রপাতির পক্ষে সেই অসীম জ্যোতি বা ক্ষমতাকে ধারণ করা অসম্ভব। এটি স্রষ্টার সীমাবদ্ধতা নয়, বরং আমাদের ইন্দ্রিয়ের সীমাবদ্ধতা।
২. অস্তিত্বের প্রমাণ ছড়িয়ে আছে সর্বত্র:
একজন নিপুণ কারিগরকে না দেখেও যেমন তার তৈরি আসবাব দেখে তার অস্তিত্ব বোঝা যায়, তেমনি আসমান ও জমিনের প্রতিটি ধূলিকণা থেকে শুরু করে বিশাল মহাকাশ পর্যন্ত অগণিত নিদর্শন আমাদের সামনে রয়েছে।
* নক্ষত্ররাজির নিখুঁত কক্ষপথ,
* জীবনের জটিল ডিএনএ (DNA) সংকেত,
* এবং আমাদের নিজেদের অস্তিত্ব—
এই সবই চিৎকার করে সাক্ষ্য দেয় যে, এর পেছনে একজন পরম জ্ঞানী ও কুশলী সত্তা রয়েছেন।
৩. মুক্ত মনের আহ্বান:
একটি সুস্থ, স্বচ্ছ এবং অহংকারমুক্ত হৃদয় যখনই এই মহাবিশ্বের দিকে তাকাবে, তার বিবেক স্বয়ংক্রিয়ভাবে বলে উঠবে— "এই বিশাল আয়োজন কখনো কাকতালীয় হতে পারে না; এর পেছনে অবশ্যই একজন মহান স্রষ্টা আছেন।"
> "নিশ্চয়ই আকাশমন্ডল ও পৃথিবীর সৃষ্টিতে এবং রাত ও দিনের পরিবর্তনে বিবেকবানদের জন্য নিদর্শন রয়েছে।" (আল-কুরআন, ৩:১৯০)
>
#স্রষ্টা #অস্তিত্বের_প্রমাণ #মুক্তচিন্তা #আধ্যাত্মিকতা #বিশ্বাস

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন