নিজের বিরুদ্ধে গেলেও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা কর।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا كُونُوا قَوَّامِينَ بِالْقِسْطِ شُهَدَاءَ لِلَّهِ وَلَوْ عَلَىٰ أَنْفُسِكُمْ أَوِ الْوَالِدَيْنِ وَالْأَقْرَبِينَ ۚ إِنْ يَكُنْ غَنِيًّا أَوْ فَقِيرًا فَاللَّهُ أَوْلَىٰ بِهِمَا ۖ فَلَا تَتَّبِعُوا الْهَوَىٰ أَنْ تَعْدِلُوا ۚ وَإِنْ تَلْوُوا أَوْ تُعْرِضُوا فَإِنَّ اللَّهَ كَانَ بِمَا تَعْمَلُونَ خَبِيرًا﴾
সূরা ও আয়াত নম্বর:
* সূরা: আন-নিসা
* আয়াত নম্বর: ১৩৫
আয়াতের আনুমানিক অর্থ:
"হে মুমিনগণ! তোমরা ন্যায়ের উপর দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত থাকো আল্লাহর জন্য সাক্ষ্যদাতা হিসেবে, যদিও তা তোমাদের নিজেদের বিরুদ্ধে অথবা পিতামাতা ও নিকটাত্মীয়দের বিরুদ্ধে যায়। যদি সে ধনী হয় বা দরিদ্র হয়, তবে আল্লাহ উভয়েরই অধিকতর অভিভাবক। সুতরাং তোমরা প্রবৃত্তির অনুসরণ করো না, যেন তোমরা ন্যায়বিচার থেকে বিচ্যুত না হও। আর যদি তোমরা বাক্যকে বিকৃত করো অথবা পাশ কাটিয়ে যাও, তবে তোমরা যা কিছু করো, নিশ্চয় আল্লাহ সে সম্পর্কে সম্যক অবহিত।"
আয়াতের সংক্ষিপ্ত তাফসীর:
এই মহিমান্বিত আয়াতটি মুমিনদেরকে তাদের সকল বিষয়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করার নির্দেশ দেয় এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য সত্যের সাক্ষী হতে বলে, যদিও সেই সাক্ষ্য বা ন্যায়বিচার তাদের নিজেদের স্বার্থের বিরুদ্ধে অথবা তাদের নিকটাত্মীয় যেমন পিতামাতা ও নিকটাত্মীয়দের স্বার্থের বিরুদ্ধে যায়।
আয়াতটি এই বিষয়ে জোর দেয় যে, ধনী বা দরিদ্র নির্বিশেষে সকলের উপর ন্যায়বিচার প্রয়োগ করতে হবে। কারণ আল্লাহই ধনী ও দরিদ্র উভয়েরই অভিভাবক এবং তাদের কল্যাণ সম্পর্কে তিনিই সর্বাধিক অবগত। আয়াতটি কুপ্রবৃত্তির অনুসরণ করে ন্যায়বিচার থেকে বিচ্যুত হতে নিষেধ করে। পরিশেষে, আল্লাহ মানুষের সকল কর্ম সম্পর্কে অবহিত এবং তিনি সেগুলোর প্রতিদান দেবেন বলে আয়াতটি সমাপ্ত হয়।
এই আয়াতটি একটি বিস্তৃত আয়াত যা ইসলামে ন্যায়বিচার ও সততাকে একটি মৌলিক মূল্যবোধ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।
https://youtube.com/shorts/-MdFkXBfDpE?si=-fnRk9hS6hck6Pol
https://youtu.be/gz-L5hkjFNU?si=UoaUkyJMI97wm-bm


মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন